
নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
জন্মদিন বা কোন শুভ কাজের সূচনা পর্বে কেক এক নতুন মাত্রা এনে দেয়। ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও বাজার ও স্টেশন এলাকায় ফাস্ট ফুড দোকানগুলোতে কেকের চড়া দাম নিয়ে বিপাকে পড়েন ক্রেতারা।জানা যায়, সাধারণ ভ্যানিলা ও চকলেট সুস্বাদু কেক ব্যবহার করা হয় জম্মদিন,কোন কিছু শুভ উদ্বোধন ও বিয়ের মেহেদী উৎসবে। নিত্যদিনেই এসব কেক বাড়ীর লোকজন খেতে অভ্যাস্ত নয়।সাদা ও ক্ষীম কালারের জন্মদিনের কেকের দাম বেশি হওয়ায় হতাশ নারী-পুরুষরা।৮ই আগষ্ট (শনিবার) ঈদগাঁওয়ের ফাস্ট ফুডের দোকান ঘুরে জানা যায়, একেক দোকানে ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি করছেন এসব কেক। মান আর স্বাদের ভিন্নতার কথাও জানালেন বিক্রেতারা।মধুবনে এক পাউন্ড কেক বিক্রি করেন ৫৩০,মিষ্টিবনে ৫০০,স্বাদ ৫৮০, টেষ্টি টেস্ট ৬৫০, ফুলকলি ৫০০,বনফুল ৬০০ টাকায় বিক্রি করে যাচ্ছেন। কয়জন বিক্রেতা জানান, কোম্পানীর খাদ্য পন্য গুলো একদামে বিক্রি করা হয়। কম দাম নেওয়ার সুযোগ নেই। তারা স্ব স্ব দোকানের কেকের স্বাদের কথাও জানান। স্থানীয় পযার্য়ের তৈরীকৃত কেকের দাম মোটামুটি বললেই চলে। পাউন্ড প্রতি ৩০০/ ৩৫০ টাকায় পাওয়া যায়। ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া মহল্লার নারী-পুরুষরা বাড়তি আয়ে লক্ষে সুস্বাদু কেক তৈরী করেন অর্ডার ভিত্তিক। এমনকি তাদের বানানো কেকগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের দৃশ্যও চোখে পড়ে। মিষ্টিবনের ছৈয়দ আলী জানান, ব্র্যান্ড ফাস্টফুড দোকানগুলোর কেকের দাম ভিন্নতা হবে এটি স্বাভাবিক। স্থানীয়ভাবে তৈরীকৃত কেকের দাম একটু কম। স্বাদের ক্ষেত্রেই দুইটিতেই ভিন্নতা।ঘরোয়া পযার্য়ে অর্ডার ভিত্তিক কেক তৈরী করার কথাও জানালেন মতি নামের এক ব্যবসায়ী। আরেক নারী জানান,বাড়তি আয়ের লক্ষে ঘরে বসে উৎসবের কেক তৈরী করা হয়। দৈনিক দুই বা তিনটির মতো অর্ডার পড়ে। সময়ের অভাবে বেশি অর্ডার নেওয়া সম্ভব হয়না।
